Skip to content

Latest Sex Stories

The World of Sex Stories To Full Fill Your Fantasies

Menu
  • Home
  • Telugu
  • Hindi
  • Bengali
  • Marathi
  • Tamil
  • Kannada
  • Malayalam
  • Gujarati
  • Urdu
  • English
  • Contact Us
Menu

Bangla Sex Stories

Posted on November 29, 2025January 1, 2026 by swadesi

Bangla Sex Stories

দীপারানীর ঘরে গল্প করছিল শুভদীপ, মৌমিতা, দীপারানী আর অমিতবাবু। কয়েকদিন পরেই মৌমিতার এইসএস পরীক্ষা। তাই দীপারানী মৌমিতাকে পড়ার জন্য চলে যেতে বলে। মৌমিতা খাট থেকে উঠে নিজের ঘরে চলে যাওয়ার জন্য উদ্যত হয়। এমন সময় দীপারানীর নজরে পড়ে মৌমিতার মাথার চুলে সাদা মতন কি যেনো একখাবলা লেগে আছে। উনি মৌমিতার বাহু ধরে থামিয়ে কাছে টেনে বললেন,

 

“এই, দাঁড়া, দাঁড়া। তোর মাথায় এটা কি লেগে আছে?”

শুভদীপও মৌমিতার মাথার দিকে তাকায়। বস্তুটা দেখেই সে চমকে ওঠে। সেরেছে! ওটা যে তারই ত্যাগ করা বীর্য! খানিক আগে নৌকার উপর সে মৌমিতাকে দিয়ে লিঙ্গ চুষিয়ে, চাটিয়ে বীর্যপাত করিয়েছে। বীর্য মৌমিতার সারামুখে ছিটকে পড়েছিল। চুলেও হয়তো পড়েছিল কিন্তু ওরা দুজন চুলের বীর্য লক্ষ্য করেনি। মুখের বীর্য নদীর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলেছে। কিন্তু চুলেরটা লেগেই আছে। শুভদীপ ভয়ে ঢোক গেলে। ভাবে, এবার বুঝি ধরাই পড়ে গেলো!

মৌমিতা বলে,

“কই, কিছু না তো পিসি।”

তখন দীপারানী ওর মাথার চুল থেকে দুআঙ্গুলের মাঝে ঐ আঁঠালো চ্যাটচেটে জিনিস একটু নিয়ে মৌমিতাকে দেখিয়ে বলে,

“এই দ্যাখ, এটা। চুলে এক খাবলা লেগে আছে।”

দেখেই মৌমিতা বুঝতে পেরে যায় এটা শুভর আউট করা বীর্য। বীর্য কিছুটা ছুটে চুলে লেগেছিল, শুভ লক্ষ্যই করেনি। মৌমিতা ঢোক গিলে বলে,

“কি জানি কি! গাছের তলায় ঘুরেছি, বোধহয় পাখীর বিষ্ঠাটিস্টা পড়েছে।”

অমিত বাবুও জিনিসটা দেখলেন।

দীপারানী বলে ওঠেন, “ছিঃ বলিস কি! আমি বিষ্ঠা হাতে নিলাম! ভ্যা . .।”

কথাটা শেষ করে তিনি তার লাগোয়া বাথরুমে ঢোকেন। ঢুকতে ঢুকতে বলেন,

“যা মৌমিতা, বাথরুমে গিয়ে ওটা ভাল করে ধুয়ে ফেলগে। তারপর পড়তে বসবি। শুভদীপ তুইও যা, মৌমিতাকে পড়াগে।”

মৌমিতা এবং শুভ ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। অমিত বাবু আবার দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে আসেন। দীপা সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফিরে এসে অমিতবাবুর সামনে দাঁড়ালেন। দাঁড়াতেই অমিতবাবু দুম করে দীপাকে জড়িয়ে ধরলেন। তারপর বললেন,

“এই দীপা, আমার মনে হল মৌমিতার মাথায় পাখীর বিষ্ঠা নয়, মানুষের বীর্য। ওরা দুজন ওসব করছে নাকি?”

দীপারানী অবাক হয়ে বলেন,

“তুমি যে কি বল না! মাথায় বীর্য আসবে কোথা থেকে? ওসব করলে তো বীর্য যোনিতেই থাকবে। নাকি? কিংবা যোনির আশেপাশের কাপড়ে। চুলে থাকবে কেনো? তাছাড়া ওরা ছোট মানুষ ফাকিংয়ের কি বোঝে। ওরা গিয়েছিল বাইরে বেড়াতে, রাস্তাঘাটে ফাকিং করবে নাকি! তোমার মাথাটা একদম গেছে।”

“আহা, এমনো তো হতে পারে কোনো ঝোপের আড়ালে গিয়ে মৌমিতা শুভর লিঙ্গটা মুখে নিয়ে চুষেই বীর্য বার করে দিয়েছে, তখন হয়তো চুলে ছুটে পড়েছে।”

দীপা অমিত বাবুর গলাটা জড়িয়ে ধরে বলেন,

“ধুর, এসব কি আজে বাজে কথা বলছ! পাগল হয়ে গেলে নাকি! ওরা ছোট মানুষ। মৌমিতা শুভর লিঙ্গ চুষবে! ছিঃ ! বলছ কি এসব! চলো, বিছানায় চলো।”

দরজার দিকে এগিয়ে যেতে যেতে অমিতবাবু ভাবেন দিপা খুব সহজ সরল ভদ্র মেয়ে। আজকালকার ছেলেমেয়েরা যে কি করতে পারে দীপা জানেই না। নিজে কলেজে পড়ান তাই জানেন। ছেলেমেয়েরা কলেজের আনাচেকানাচেই কতকিছু করে। ফাকিং তো অন্যখানে করেই। অল্প বয়সেই ছাত্রীগুলোর স্তন কেমন ডাবডাব সাইজ হয়ে গেছে। ফাকিং না করলে কি ওগুলো অতবড় হয়? ওরা ঠিক কাজটাই করে, আনন্দ করার সুযোগ পেলে করবে না কেনো? কিন্তু দীপা স্বামী ছাড়া অন্যকারো সাথে ফাকিং করার কথা ভাবতেই পারেনা। দুনিয়ার বোকা একটা।

দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে এসে অমিত বাবু হঠাৎ করে দীপাকে কোলে তুলে নেন। তারপর তাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে নিজেও দীপাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে কাথা দিয়ে নিজেদেরকে সম্পূর্ণ ঢেকে দেন। দীপা বলেন,

“কাথার মধ্যে এসে আর কি হবে, তুমি তো আমায় আদরই করো না। শুধু আমিই এক তরফা আদর করি।”

“তার মানে?”

”মানে আবার কি, আমি তোমার কতকিছু নাড়াচাড়া করছি, তোমাকে সুখ দিচ্ছি, তুমি তো আমায় সুখ দেওয়ার কথা ভাবছই না।”

অমিত বাবু দীপাকে জড়িয়ে ধরে বলেন,

“বলো কি! আমি তোমার ঠোঁট কামড়ে শেষ করে দিচ্ছি, তাও বলছ কিছু করছি না!”

“শুধু ঠোঁট কামড়ালেই হবে? একটু এদিক ওদিক হাত দাও, নাড়াচাড়া করো!”

“এদিক ওদিক?”

“আহারে! কচি ছেলে! কিছুই বোঝে না! আসলে পণ্ডিত প্রফেসরকে বিয়ে করাই আমার ঠিক হয়নি। সেক্স নিয়ে ভাবে না, শুধু দেশ নিয়ে ভাবে।”

অমিত বাবু না বোঝার ভান করে বলেন,

“তাহলে বলো, হাত দিয়ে কোথায় নাড়াচাড়া করবো।”

এবার দীপারানী অমিতবাবুর বাঁ হাতটা নিয়ে নিজের যোনির উপর রাখেন। রেখে বলেন,

“কি আর করবো! আমার নাগর বোঝেই না কোথায় হাত দিতে হবে।”

অমিতবাবু হেসে ফেলে শাড়ীর উপর দিয়েই দীপার বিশাল লম্বা ফুলোফুলো যোনিটা খামছে ধরেন। নাড়াচাড়া করতে থাকেন। দীপারানী চরম সুখ পেতে থাকেন। তিনি চোখ বুজে বলেন, “কাপড়টা কি একটু সরানো যাচ্ছে না, প্রফেসর? কাপড়ের উপর দিয়ে কি এসব ভাল লাগে!”

একথা শুনে অমিতবাবু শাড়ীটা পায়ের কাছ থেকে টেনে পেটের উপর নিয়ে এসে কাথার তলে যোনি একদম আলগা করে ফেলেন। তারপর দীপার বিশাল ত্রিভূজটা খাবলে ধরেন। ত্রিভূজের উপরের দিকে একগুচ্ছ লোম, লোমগুলো বড়বড় হয়ে গেছে। এরপর তিনি ত্রিভূজের নিচের দিকে হাত নামাতে থাকেন। বিশাল ত্রিভূজ, বিশাল তার ফাটল। মধ্যাঙ্গুল দিয়ে সেই ফাটল বরাবর থাবা মারতে থাকেন অমিতবাবু। আঙ্গুলের দৈর্ঘের চেয়েও লম্বা দীপার ফাটলটা। এভাবে থাবা মারতে থাকলে একটু পর রসে ভরে উঠবে ফাটলের গর্ত।

চোখ বুজে সুখ খেতেখেতে দীপারানী বললেন,

“এই, আজকে সেভ করে দিও কিন্তু। কতদিন সেভ করে দাও না।”

*

এই সময় শুভদীপ মৌমিতার সঙ্গে মৌমিতার ঘরে। তারাও দরজা ভেজিয়ে দিয়েছে। বসন্তকাল, এখনো ঠাণ্ডা আছে একটু একটু। দরজা ভেজিয়ে রাখতেই হয়। মৌ খাটে বসে টেবিলে পড়ছে। শুভ তার কাছেই বালিশ মাথায় দিয়ে কাথা গায়ে শুয়ে আছে। তবে তার হাত মাঝেমাঝে মৌমিতার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বিচরণ করছে। তলপেটে হাত দিয়ে যোনিতেও আঙ্গুল দেওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু সফল হচ্ছে না। মৌমিতা তার হাঁটু দুটো একজায়গায় করে রেখেছে। কিছুতেই ফাঁক করছে না। তবে মাঝেমাঝে সে মৌমিতার ডাবসাইজ বুকে হাত দিচ্ছে। খাবলে ধরছ। মৌমিতা তেমন আপত্তি করছে না। একবার শুভ একটা ডাব তার পাঁচ আঙ্গুলের মধ্যে নিয়ে টিপতে টিপতে মৌকে প্রশ্ন করে,

“মৌ, তুমি ব্রা পরো না কেনো?”

মৌ উত্তর দেয়,

“আমার ব্রা নেই। তাই পরি না। লজ্জায় মাকে বলতেও পারি না ব্রা কিনে দেওয়ার কথা।”

“তাহলে চলো, একদিন কুঁচিয়া বাজারে গিয়ে তোমার ব্রা কিনে দিই।”

“ঠিক আছে, যাবো। তবে কুঁচিয়া বাজারে নয়, ওখানে আমার লজ্জা করবে। অনেকেই তো আমাকে চেনে। আমরা ব্রা কিনতে ঘাটশিলায় যাবো। এখন শান্ত হয়ে ঘুমাও তো একটু।”

শুভর বীর্যপাত হয়েছে। সে খুব ক্লান্ত। তাই চুপচাপ শুয়ে চোখবুজে ঘুমানোর চেষ্টা করে।

কিছুক্ষণ পড়ার পর মৌমিতা বলে, “তুমি ঘুমাও। আমি নিচে গিয়ে মাকে কিছু খাবার দিতে বলি, তোমার বোধহয় খিদে পেয়ে গেছে।”

মৌমিতা নিচে চলে গেল। ওর মা সুজাতা দেবী ছিলেন রান্নাঘরে। মাকে বলল,

“মা, আমার খুব খিদে পেয়েছে। কিছু খেতে দাও। ডিম আছে?”

“হ্যা, আছে। দিচ্ছি।”

“আমি পড়ছি, মা। শুভদীপদা আমাকে পড়াচ্ছে। ওর জন্যও দিও।”

সুজাতা দেবী বললেন,

“আচ্ছা বাবা, দেবো। সে কি তোকে বলতে হবে? যা, তুই উপরে যা, মন দিয়ে পড়গে। আমি খাবার নিয়ে এখনি আসছি।”

মায়ের সাথে কথা বলেই মৌমিতা বাথরুমে চলে যায়। মুততে বসে। বসে যোনিতে আঙ্গুল দিয়ে দেখতে পায় পুরো যোনিটা আঠালো পদার্থে একদম চ্যাটচেটে হয়ে গেছে। সব শুভর কাজ। যেভাবে ও বিকেল থেকে শরীরে হাত দিচ্ছে, রস না বেরিয়ে উপায় আছে! যোনির একটু গভীরেই আঙ্গুল ঢুকিয়ে দেয় মৌমিতা। পিচ্ছিল যোনিতে পচ করে ঢুকে যায় ওটা পুরোপুরি। এরপর মোতা শেষ করে যোনিটা ভাল করে ধুয়ে ফেলে। কাপড়টাও যোনির কাছে ভিজে গেছে। তাই ওটা চেন্জ করে একটা লেহেঙ্গা পরে নেয়। নিচে কোনো হাফপ্যান্ট বা প্যান্টি পরেনা। উপরের টিশার্টটা পরাই থাকে।

যোনি ধুয়ে পোষাক চেন্জ করে নিজের রুমে ফেরে মৌমিতা। দেখে শুভ ঘুমিয়ে পড়েছে। ও খাটে বসতেই শুভর ঘুম ভেঙ্গে যায়। সে বলে,

“মৌ, তুমি তো কুঁচিয়া হাইস্কুলে পড়ো। ওখানে যাও কি করে?”

“সাইকেলে।”

“বলো কি! অতদূর সাইকেলে যাও!”

“হ্যা, যাই। মাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার পথ।”

“তুমি এমন একটা সুন্দরী মেয়ে সাইকেল চালিয়ে যাও, ছেলেরা আজেবাজে টোন করে না?”

“হ্যা, করে। একদিন কি একটা বাজে টোন করল! শুনে আমি লজ্জায় বাঁচিনা।”

“কি টোন?”

“বলা যায় না।”

“আহা, বলোই না, আমি তো তোমার প্রেমিক।”

এবার মৌমিতা শুভর কাছে গিয়ে গলা জড়িয়ে ধরে কানেকানে বলে,

“কয়েকটা কালো ছেলে ব্রিজের উপর বসে ছিল। আমি যখন সাইকেলের সিটে বসে ব্রিজের উপর দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছিলাম তখন ওদের একজন বলল, “এই মেয়ে, তোর ‘ইয়ের’ মধ্যে সাইকেলের সিট ঢুকে যাবে।’ আরেকজন বলল, আমি ডাব খাবো।”

“ইয়ে বলার দরকার নেই, কি শব্দ বলেছিল তাই সরাসরি বলো।”

“না, বলবো না। আমার লজ্জা করে।”

“আরে বলোই না! আমি তো তোমার প্রেমিক, বয়ফ্রেন্ড। নাকি?”

এবার কানেকানে ফিসফিস করে উত্তর দেয় মৌমিতা,

“ওরা বলেছির ‘এই মেয়ে তোর গুদের মধ্যে সাইকেলের সিট ঢুকে যাবে। “

“বলো কি! ওরা এই কথা বলল! তুমি কিছু বলোনি?”

“না, বলা যায় নাকি? মানসম্মানের ব্যাপার। তাছাড়া ওরা এই ধরণের ভাষাই ব্যবহার করে। এসবই আদিবাসীদের কমন ভাষা। আমার সঙ্গে যারা পড়ে তাদের বেশীর ভাগই কালো আদিবাসী। মেয়েরাও আছে। ওরাও খুব অশ্লীল ভাষায় গল্প করে। ওসব ওদের জন্য অশ্লীল নয়। ওরা সবাই ছেলেদের সঙ্গে সেক্স করে।”

“ক্লাসের কোনো ছেলে তোমার সঙ্গে প্রেম করতে চায় না?”

“আরে ধুর! তেমন ছেলেই নেই। ওরা আমার দিকে হা করে তাকিয়ে থাকে। ওসব ভাবতেও পারে না।”

“এখানে কি থাকা যায়, বলো? তুমি তাড়াতাড়ি এইসএস পাস করে আমাদের আসানসোল চলে এসো। ওখানে কলেজে ভর্তি হবে।”

“হ্যা, আমি তো যেতেই চাই। যেতে চাই শুধু তোমার জন্যে।”

“তুমি আমাদের বাড়ীতে থাকবে। আমি কিন্তু তোমাকে সারাদিন আদর করব।”

“কোরো কোরো। আমি তো তাই চাই।”

মৌমিতা ঘরের দরজা খুলেই রেখেছে। যাতে মা এসে কোনো সন্দেহ না করে। একটু পরেই ওর মা সুজাতাদেবী খাবার নিয়ে হাজির হন। ডিম, বিস্কুট, চপ আর আপেল। সুজাতা দেবী ওদের জন্য কয়েকটা পিরিচ টেবিলে রেখে শুভকে বলেন,

“খেয়ে নিও, বাবা। আমি এগুলো দীপার ঘরে দিয়ে আসি।”

*

সুজাতাদেবী যখন দীপার ঘরের দিকে এগিয়ে চলেছেন তখন দীপার ঘরে অমিত বাবু দীপার যোনি নিয়ে পড়েছেন। যোনিতে মধ্যাঙ্গুল দিয়ে কিছুক্ষণ থাবা দেওয়ার পর তিনি বুঝলেন যোনির গর্তে রস এসে গেছে। রসে আঙ্গুলের মাথা ভিজে যাচ্ছে। তিনি আঙ্গুলের মাথাটা গর্তের মধ্যে ঢুকিয়ে দিলেন। আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে সম্পূর্ণ আঙ্গুলটাই ঢুকিয়ে দিলেন ভিতরে। রসে ভিজে গেল পুরো আঙ্গুল। এরপর তিনি জোড়া আঙ্গুল ঢোকালেন। জোড়া আঙ্গুলও পচ করে ঢুকে গেল।

ওদিকে চেইন খুলে অমিতের টনটনে লিঙ্গটা বার করে নিয়ে খেলে চলেছেন দীপারানী। অমিত বাবুর শখ হল তার টনটনে লিঙ্গটা একটু দীপার যোনিতে ঢোকাতে। উনি কাথার ভিতর থেকে উঠলেন। দীপার পায়ের কাছে গিয়ে বসলেন। দীপা কাথা দিয়ে সম্পূর্ণ ঢাকা আছেন। উনি দীপার দুহাঁটু ভাজ করে হাঁটু ফাক করে দিলেন। যোনিটা একদম রামফাক হয়ে গেল। ওদিকে শরীর, হাঁটু এবং পা ঢাকা আছে কাথায়। শুধু যোনিটা আলগা। হুট করে কেউ রুমে ঢুকে পড়লেও দীপার যোনি দেখতে পাবে না। অমিত বাবু তার আড়ালে বসে, উত্থিত লিঙ্গটা বাঁ হাতে ধরে

দীপার বিশাল লম্বা যোনির চিরায় ঘষতে শুরু করলেন। যোনির রসে লিঙ্গের মাথা একদম ভিজে গেল। চপাৎ চপাৎ আওয়াজ উঠল। ঘসতে ঘষতে একসময় ভিজে মোটা মাথাটা ঢুকিয়ে দিলেন দীপার যোনির লাল গর্তে। মৃদু শীৎকার দিতে দিতে দীপারানী বললে, “এই দুষ্টু, কি করছ! কেউ এসে পড়বে তো! দরজা খোলা। বাচ্চারা রয়েছে।” কিন্তু অমিত কোনো কথা শোনেন না। উনি দুইঞ্চি মতো ঢুকিয়ে আবার হঠাৎ

বার করে নেন। হঠাৎ বার করায় ‘পত্’ করে একটা আওয়াজ হয়। এই পত্ আওয়াজ শুনতে দীপারানীর খুব ভাল লাগে, তার শরীরে শিহরণ ওঠে, আওয়াজ শুনলেই খানিক রস বেরিয়ে আসে। এখনো রস বেরিয়ে এল। উনি খুব আরাম পেতে লাগলেন। তার পরেও উমঃ উমঃ শীৎকার দিতে দিতে বললেন, “এখন থাক না, লক্ষীটি! পরে চেটেচুটে করো।” কিন্তু দীপারানীর কথা অমিত বাবুর কানে ঢোকে না। তিনি তার পুরো সাতইঞ্চি

লিঙ্গটাই পচ করে ঢুকিয়ে দেন স্ত্রীর যোনির গভীর গর্তে। কিন্তু দীপারানী “দুষ্টু প্রফেসর” বলে অমিতকে ঠেলে নিজ হাতে লিঙ্গটা ধরে যোনি থেকে বার করে দিলেন। ব্যাপারটা অমিত বাবুর মোটেই ভালো লাগলো না। তিনি আবার তার ভিজে টনটনে লিঙ্গটার মাথা দিয়ে পিচ্ছিল যোনির উপর বাড়ি মারতে লাগলেন। এতে আওয়াজ হতে লাগল থপাৎ থপাৎ থপাৎ . .

 

Click Here To Join Telegram Channel

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Categories

  • Bengali Sex Stories
  • English Sex Stories
  • Gujarati Sex Stories
  • Hindi Sex Stories
  • Kannada Sex Stories
  • Malayalam Sex Stories
  • Marathi Sex Stories
  • Tamil Sex Stories
  • Telugu Sex Stories
  • Uncategorized
  • Urdu Sex Stories

Recent Posts

  • Nepal Telugu Sex Stories | పక్కింటి అమ్మాయిని దెంగాను
  • Family Friend Telugu Sex Stories | ప్రియను లైన్లో పడేసి దెంగాను
  • Punjabi Aunty Telugu Sex Stories | పంజాబీ ఆంటీ పూకు పచ్చడి చేశాను
  • divya new telugu sex stories | రోహన్ దివ్య కామ కథ
  • Priya Telugu Sex Stories | ప్రియతో నా అనుభవం
  • Telugu Illegal Sex Stories | ముగ్గురు పిల్లల మరిది
  • Neibour Aunty Telugu Sex Stories | పక్కింటి లక్ష్మి అంటీని దెంగాను
  • Pani Manishi sex Stories | పొద్దునే పని మనిషిని దెంగాను
  • Aunty Friend Telugu Sex Stories | ఆంటీ వాళ్ళ ఫ్రెండ్ని సెట్ చేసింది
  • School Friend sex stories | స్కూల్ ఫ్రెండ్తో నా సెక్స్ అనుభవం
  • January 2026
  • December 2025
  • November 2025

Recent Posts

  • Nepal Telugu Sex Stories | పక్కింటి అమ్మాయిని దెంగాను
  • Family Friend Telugu Sex Stories | ప్రియను లైన్లో పడేసి దెంగాను
  • Punjabi Aunty Telugu Sex Stories | పంజాబీ ఆంటీ పూకు పచ్చడి చేశాను
  • divya new telugu sex stories | రోహన్ దివ్య కామ కథ
  • Priya Telugu Sex Stories | ప్రియతో నా అనుభవం

Important

Privacy Policy

Terms and Conditions

Disclaimer

DMCA

Cookie Policy

About us

Contact Us

 

© 2026 Latest Sex Stories | Powered by Superbs Personal Blog theme